1. admin@gonopotrika.com : admin :
শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিমলায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন। কুড়িগ্রামে শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে জয় বাংলা ঐক্য পরিষদের কমিটি গঠন সভাপতি চঞ্চল!! সম্পাদক সজল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের সকলের সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় ভোলা সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু আমতলীতে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন সহকারী শিক্ষক নওগাঁর বদলগাছীতে ছোট যমুনা নদী গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ, অতঃপর ১ দিন পর লাশ উদ্ধার রাজশাহী শিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ধামইরহাটে ৩ মাস ধরে গৃহবন্ধী অসহায় এক পরিবার পুকুরে সাতার কেটে বের হন বাড়ী থেকে মুসলিম মহিলাদের খোরপোশ ন্যায় অধিকার, খয়রাতি নয়, সাফ জানিয়ে দিল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট

ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ৫০ বার পঠিত

 

শামীম তালুকদার, নেত্রকোণা:

১৭ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম সরকারের শপথ গ্রহণের দিন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সুদীর্ঘ ইতিহাসের অবিস্মরণীয় দিন, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস।

১৯৭১ সালের এই দিনে কুষ্টিয়া জেলার তদানীন্তন মেহেরপুর মহকুমার বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন -সার্বভৌম গণপ্রজাতণ্ত্রী বাংলাদেশের ১ম সরকার শপথ গ্রহণ করে।একই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রও পাঠ করা হয়। এর ১ সপ্তাহ পূর্বে ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম সরকার গঠন ও ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হয়। ১ম সরকারের শপথ গ্রহণের পর থেকে বৈদ্যনাথতলা স্হানটি মুজিবনগর নামে পরিচিত।

মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী বাংলাদেশের ১ম অস্হায়ী সরকার ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠন করা হয়। এরপর তৎকালীন ভবেরপাড়ার বৈদ্যনাথতলার (বর্তমান মুজিবনগর) আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্হায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী খন্দকার মোশতাক, অর্থ ও জাতীয় রাজস্ব বিষয়ক মন্ত্রী এম মনসুর আলী ও স্বরাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের বাইরে আরো কয়েকটি সংস্হা ছিল যারা সরাসরি মন্ত্রীপরিষদের কতৃত্বাধীনে কাজ করত। সত্যিকথা বলতে কি-এই সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানী সেনাবাহীনির বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ প্রবলযুদ্ধে রুপ নেয় এবং স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের বিজয় অর্জন ত্বরান্বিত হয়।

ভৌগোলিকভাবে পলাশী আর বৈদ্যনাথতলা বেশ কাছাকাছি। দুটি স্হানই বাঙালির জীবনে স্মরণীয় ও গুরুত্বপূর্ণ। একটি ব্যর্থতার অপরটি পূর্ণতার। পলাশীর আম্রকুন্জে বাঙালি হারায় তার স্বাধীনতা, আর বৈদ্যনাথতলার আম্রকুন্জে তা ফিরে পাওয়ার শপথ নেয়। তারপর থেকে বৈদ্যনাথতলা ‘মুজিবনগর’নামে পরিচিত। আর এ দিনটি পালিত হয় ‘মুজিবনগর দিবস’হিসেবে।

নি:সন্দেহে, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের গুরুত্ব সুদূরপ্রসারী। মুজিবনগর দিবস আমাদের জাতীয় ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী অধ্যায়।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গণ পত্রিকা
Theme Customized By Shakil IT Park