1. admin@gonopotrika.com : admin :
শুক্রবার, ১২ জুলাই ২০২৪, ০৪:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিমলায় বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন। কুড়িগ্রামে শিশুদের প্রতি সহিংসতা বন্ধে স্থানীয় স্টেক হোল্ডারদের সাথে সংলাপ অনুষ্ঠিত আত্রাইয়ে জয় বাংলা ঐক্য পরিষদের কমিটি গঠন সভাপতি চঞ্চল!! সম্পাদক সজল ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্বের সকলের সাথে বানিজ্যিক সম্পর্ক দৃঢ় করতে চায় ভোলা সদর উপজেলায় এক গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু আমতলীতে বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে প্রাইভেট পড়াচ্ছেন সহকারী শিক্ষক নওগাঁর বদলগাছীতে ছোট যমুনা নদী গোসল করতে গিয়ে নিখোঁজ, অতঃপর ১ দিন পর লাশ উদ্ধার রাজশাহী শিরোইল বাসস্ট্যান্ড এলাকা হতে ২২ জুয়ারী’কে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৫ ধামইরহাটে ৩ মাস ধরে গৃহবন্ধী অসহায় এক পরিবার পুকুরে সাতার কেটে বের হন বাড়ী থেকে মুসলিম মহিলাদের খোরপোশ ন্যায় অধিকার, খয়রাতি নয়, সাফ জানিয়ে দিল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট

ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক বসন্তের বরণের প্রথম দিন।

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ৭৭ বার পঠিত

 

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া, পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

সারা পৃথিবী জুড়েই ভালোবাসা দিবস, ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক পহেলা ফাল্গুন। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিন এবং বাংলা সনের একাদশ মাস। বসন্ত মানে পূর্ণতা। বসন্ত মানে নতুন প্রাণের কলরব।

বদলে যাওয়ায় বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুসারে এবারও ভালোবাসা দিবস ও বাঙালি বসন্ত উৎযাপন করবে ১৪ ফেব্রুয়ারি। নতুন সংশোধিত বর্ষপঞ্জিতে পহেলা ফাল্গুন অর্থাৎ বসন্তের প্রথম দিনেই হচ্ছে ভালোবাসা দিবস।

ইংরেজি বর্ষপঞ্জির ১৪ ফেব্রুয়ারি দিনটিকে ভালোবাসা দিবস হিসেবে পালন করা হয় সারা বিশ্বে। বাংলা বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী, বসন্তের প্রথম দিন অর্থাৎ পহেলা ফাল্গুন ছিল ১৩ ফেব্রুয়ারি। তবে বাংলা বর্ষপঞ্জি সংশোধনের পর একই দিনে বসন্ত উৎসব আর ভালোবাসা দিবস পালন করা হচ্ছে।

শুধু এই দিন নয়, ১৯৭১ সালের কয়েকটি ঐতিহাসিক দিনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তৈরি করা হয়েছে নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি। যার ফলে ইংরেজি দিন ঠিক থাকলেও কিছুটা এদিক সেদিক হয়েছে বাংলা মাসের তারিখ। নতুন এই বর্ষপঞ্জিতে জাতীয় দিবসের বাংলা তারিখ এখন থেকে একই থাকবে প্রতিবছর।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল থেকেই পশ্চিম বঙ্গের শান্তিনিকেতনে বিশেষ নৃত্যগীতের মাধ্যমে বসন্ত উৎসব পালনের রীতি চলে আসছে। বঙ্গাব্দ ১৪০১ সাল থেকে বাংলাদেশে প্রথম ‘বসন্ত উৎসব’ উদযাপন করার রীতি চালু হয়। তবে খুব বেশি ঘটা করে পালন হয় ১৫৮৫ সালে সম্রাট আকবর বাংলা বর্ষপঞ্জি হিসেবে আকবরি সন বা ফসলী সনের প্রবর্তন করার পর। একইসঙ্গে প্রবর্তিত হয় প্রতি বছর ১৪টি উৎসব পালনের রীতিও।

এর মধ্যেই অন্যতম ছিল বসন্ত উৎসব। ফাল্গুনের প্রথম দিনকে বাংলাদেশে পহেলা ফাল্গুন ও বসন্ত বরণ উৎসব হিসেবে উদযাপন করা হয় যা ১৯৯১ সালে সর্বপ্রথম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ কর্তৃক আয়োজন করা হয়। শীতের রুক্ষতাকে পিছনে ফেলে প্রকৃতিকে আবার নতুন রূপে সাজিয়ে তোলার আগমনী বার্তা নিয়ে আসে বসন্ত। গাছে গাছে নতুন পাতা গজায়। ফুলের মুকুল আসে। পাখি গান গায়। আর বাতাসে ভাসে মিষ্টি ফুলের ঘ্রাণ।

প্রজাপতিরা রঙিন ডানা মেলে জানায় ঋতুরাজের আগমনী বার্তা। বসন্ত শুধু প্রকৃতিতেই নয় মানুষের মনেও জাগায় প্রাণের ছোঁয়া। তাই বসন্তের প্রথম দিনটিকে উদযাপন করতে সবাই মেতে ওঠে উৎসবে। নিজেকে সাজিয়ে তোলে বসন্তের রঙে। ফাল্গুন নামটি এসেছে মূলত ফাল্গুনী নামে নক্ষত্র থেকে।

খ্রিষ্টপূর্ব ১৫০০ সালের দিকে চন্দ্রবর্ষ ও সৌরবর্ষ উভয়ই মেনে চলা হতো। ফাল্গুন ছিল পূর্ণ চন্দ্রের মাস। ১৯৫০-১৯৬০ দশকেই আনুষ্ঠানিকভাবে পহেলা ফাল্গুন পালন শুরু হয়। সে সময় বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানের সংস্কৃতি থেকে নিজেদের আলাদা করতে রবীন্দ্রসঙ্গীত শোনার পাশাপাশি বাঙালি নিয়মে পহেলা ফাল্গুন পালন শুরু করে। ঋতুরাজ বসন্তকে বাঙালি বেশ আয়োজন করেই বরণ করে নেয়। তাই তো ফুল ফুটুক আর না-ই ফুটুক আগামীকাল বসন্ত।

Facebook Comments Box
এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৩ গণ পত্রিকা
Theme Customized By Shakil IT Park